বরিশাল নগরীতে হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ‘সাজানো’ মামলা করার অভিযোগে বাদী ও তিন শিক্ষকসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহা রকিবুল ইসলাম এ আদেশ দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী হয়েছে মামলার বাদী সেকেন্দার আলী, স্কুল কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, সাবেক প্রধান শিক্ষক এসএম ফকরজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম ও শিক্ষিকা শেখ জেবুন্নেছা।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৬ মে আদালতে শহরের হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে স্কুলটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইর এসআই মাহমুদ তদন্ত করে ধর্ষণ চেষ্টার কোনো সত্যতা না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন। এরপর মামলার আসামি সেই শিক্ষক মিথ্যা অভিযোগে মামলা করায় ট্রাইব্যুনালে বাদী পাল্টা মামলা করে।
পরে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসা মামলার তদন্ত করে ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
বিচারক অভিযোগপত্রটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির আদেশ দেন বলে জানান বেঞ্চ সহকারী আজিবর রহমান।