ই-পেপার
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
বরিশাল থেকে প্রকাশিত একটি আঞ্চলিক অনলাইন গণমাধ্যম
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ডেস্ক রিপোর্ট
৮ এপ্রিল ২০২৪, ২:৩৯ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিপাকে পড়ে এখন রোহিঙ্গাদের সহায়তা চাচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

সংবাদটি ই-পেপারে পড়ুন

এক সময় রোহিঙ্গাদের বিতারিত করেছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রায় সাত বছর আগে ওই জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করতে ভয়াবহ জাতিগত নিধন চালানো হয়েছিল। কিন্তু এখন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিপাকে পড়ে সেই রোহিঙ্গাদেরই সহায়তা চাচ্ছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সাত রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিবিসি। তারা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ১০০ জন রোহিঙ্গাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি নিরাপত্তার জন্য তাদের নামও বদলে দেওয়া হচ্ছে।

রাখাইনের রাজধানী সিত্তওয়ের কাছে বা দু ফা অস্থায়ী শিবিরে তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করেন মোহাম্মদ নামের ৩১ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা নাগরিক। বিবিসির কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি আতঙ্কিত ছিলাম কিন্তু তারপরেও আমাকে যেতে হয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমনপীড়নে রাখাইনের প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা গত এক দশক ধরে এসব অস্থায়ী শিবিরেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

মোহাম্মদ বলেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে কোনো এক মধ্যরাতে ক্যাম্পের নেতা তার কাছে আসেন। ওই নেতা জানান যে, তাকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এটা ছিল সামরিক আদেশ। না মানলে তার পরিবারের ক্ষতি করা হবে বলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

 

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে বিবিসি নিশ্চিত হয়েছে যে, সেনা কর্মকর্তারা এসব উদ্বাস্তু ক্যাম্পের তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে।

 

নির্মম বাস্তবতা হলো মোহাম্মদের মতো অনেক রোহিঙ্গারই কোনো নাগরিকত্ব নেই। এমনকি তারা রাখাইনের বাইরেও কোথাও যেতে পারেন না। এ ধরনের নানা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা।

আর সেনাবাহিনীতে যুক্ত করতে রোহিঙ্গা পুরুষদেরকে খাবার, নিরাপত্তা এবং সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রাখাইনে অন্যান্য সম্প্রদায় একসঙ্গে মিলেমিশে থাকলেও ২০১২ সালে কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছদ করা হয়। তাদেরকে বিভিন্ন অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করতে বাধ্য করা হয়।

এর পাঁচ বছর পর ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ এবং বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সাত লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। সে সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় জান্তা বাহিনী। তারপরও রাজ্যটিতে ছয় লাখের মতো রোহিঙ্গা এখনও রয়ে গেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের উপর ফের বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ

১

ঝালকাঠি প্রেসক্লাবে তারুণ্যের দায়বদ্ধতা ও ডিজিটাল সুরক্ষা বিষয়ক নাগরিক সংলাপ

২

PRAN-RFL-এর ‘Get the Challenge’-এর ফাইনালে বরিশালের ইন্তেখাব তামিম

৩

বরিশালে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯ পরিবারকে অনুদানের চেক বিতরণ

৪

নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তায় ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ

৫

কুয়াকাটায় এমপি মাসুদ সাঈদীর ইস্তানবুল রিসোর্টের কাজ বন্ধ

৬

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা

৭

অন্ধ্র উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ আঘাত, নিহত ৫

৮

বরিশালের আইনজীবী জিয়াউর রহমান রুমিকে ঘিরে বিতর্ক, তদন্তের দাবি

৯

ঝালকাঠিতে জেন্ডার সমতা ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ইয়াসের সংলাপ

১০

নলছিটিতে স্টেরিওটাইপ, বৈষম্য ও ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে তারুণ্যের নলছিটি’র সংলাপ

১১

প্রচলিত সামাজিক ভুল ধারণা ভাঙতে নলছিটিতে তরুণদের প্রশিক্ষণ

১২

‎বরিশাল তরুণ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি ওমর ফারুক, সম্পাদক আল-আমিন গাজী।

১৩

পদ নয়, মানুষের জন্য কাজ করাই শাকিল রনির পরিচয়

১৪

নলছিটিতে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্মৃতি মিনি ফুটবল’ ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১৫

বিএম কলেজের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস চিফ হুইপ’র

১৬

শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী: বেহেশতের টিকিট বিক্রেতাদের মাধ্যমে পলাতকরা অর্থ সরবরাহ করছে

১৭

পিরোজপুরের ট্রলার ডুবে শিশু নিহত, ১৮ ঘন্টায়ও খোঁজ মেলেনি মায়ের

১৮

বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ

১৯

দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম চালু থাকবে আজ

২০