ই-পেপার
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বরিশাল থেকে প্রকাশিত একটি আঞ্চলিক অনলাইন গণমাধ্যম
ডেস্ক রিপোর্ট
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৪:২৭ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কুয়াকাটায় এক ট্রিপে মিললো ১০২ মণ ইলিশ

সংবাদটি ই-পেপারে পড়ুন

১০২ মণ ইলিশ নিয়ে আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরা ট্রলার। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স কামাল ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে নিয়ে আসা হয়। পরে মাছগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি হয় ১৯ লাখ ২০ হাজার ৩’শ টাকায়। ট্রলারটি ঘাটে ফিরে আসার পর মাছের খবর শুনে উৎসব জনতা ভিড় করেছে আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. নাহিদা আক্তার নামের মাছ ধরা ট্রলারটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর আলীপুর ঘাট থেকে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। তিন দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্খিত মাছ পাইনি। বৃহস্পতিবার জাল ফেলে ১০২মণ মাছ পেয়েছে। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। তবে মাছের সাইজ ছোট হওয়ায় দাম কম পেয়েছে। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতিমণ ২৫ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২০ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তিন লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৯ লাখ ২০ হাজার তিনশ’ টাকা হয়েছে। মাছগুলো মূলত গতকাল বৃহস্পতিবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯৫ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

ট্রলারের মাঝি আব্দুর রহিম বেপারী বলেন, ৫ দিন (১৬ সেপ্টেম্বর) আগে আমরা ২০ জন জেলে মাছ ধরতে সাগরে যাই। প্রথম দিকে তেমন একটা মাছ পাচ্ছিলাম না, অনেকটা হতাশা নিয়েই সাগরে জাল মারছিলাম। এইভাবে মারতে মারতে আরও একটু গভীরে গিয়ে জাল ফেলার পর সেখানে আমাদের জালে ইলিশের একটি ঝাঁক ধরা পরে। ট্রলার বোঝাই করে আমরা ঘাটের দিকে ফিরে আসি। মাছের সাইজ বড় হলে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা বিক্রি হতো। 

এফবি নাহিদা আক্তার ট্রলারের মালিক আব্দুল মন্নান বেপারি বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

আলীপুরের মৎস্য ব্যবসায়ী কামাল বেপারী বলেন, এই ট্রলারটি চলতি মৌসুমে তেমন একটা মাছ পায় নি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা দশদিন ঘাটে বসে ছিল। আবহাওয়া মাছ ধরার অনুকূলে আসলে ট্রলারটি সমুদ্রে যায় গত সোমবার। আলহামদুলিল্লাহ ১০২ মণ মাছ নিয়ে ঘাট এসেছে। আশা করি সমুদ্রে থাকা সব জেলারাই ভালো মাছ পাবেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা বন্দরে অবস্থান‌ করছিলো। বর্তমানে আবহাওয়া মাছ ধরার অনুকূলে আছে। আশা করছি প্রত্যেকটি ট্রলার কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মাছ ধরা পড়বে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বরিশাল সদরে দুই ইউনিয়নে দুই ভাইয়ের সার ডিলারশিপ

১

নলছিটি থেকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মঞ্চে খালেদ সাইফুল্লাহ

২

বরিশাল চৌমাথায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বিসিসির অভিযান

৩

ইউক্রেন-রাশিয়া জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে পারস্পরিক পদক্ষেপের প্রস্তাব জেলেনস্কির

৪

জিবুতির উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে বহু মানুষের প্রাণহানি

৫

রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধের মেয়াদ বাড়াল সৌদি আরব, অনলাইনে চলবে স্কুল

৬

মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে এগোচ্ছে শক্তিশালী হারিকেন সাইমন

৭

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হামলার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের তথ্য পেয়েছে পুলিশ

৮

নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদীয় কমিটির প্রশ্ন

৯

জাপান সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক

১০

সচিবদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা সরকারের

১১

কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়াতে খাগড়াছড়িতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইপিবি

১২

সারাদেশে দুর্গাপূজার মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান

১৩

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৬৩১

১৪

নারীস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ২৫ কোটি ইউরোর উদ্যোগ

১৫

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রিঅ্যাক্টর চালুর আরও কাছাকাছি

১৬

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনে ব্যয় সংযমের নতুন নির্দেশনা

১৭

সরকারি-বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানি প্রতিষ্ঠান মারুবেনির আগ্রহ

১৮

আন্তর্জাতিক খবর যাচাইয়ে একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম অনুসরণের পরামর্শ

১৯

বিশ্ববাজারের দামের পরিবর্তনে নজর রাখছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা

২০