ই-পেপার
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
বরিশাল থেকে প্রকাশিত একটি আঞ্চলিক অনলাইন গণমাধ্যম
বিএম কলেজ প্রতিনিধি।
১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বিএম কলেজে সিসা দূষণ প্রতিরোধে আইসিডিডিআর,বি’র সচেতনতামূলক কর্মসূচি

সংবাদটি ই-পেপারে পড়ুন

শিশুদের রক্তে সিসার উপস্থিতি ও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করেছে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআর,বি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

কর্মসূচির শুরুতে প্রজেক্টরের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। পরে সিসা দূষণ প্রতিরোধের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি কলেজ ক্যাম্পাসসহ বরিশালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্টিকার লাগানো এবং বিভিন্ন দোকানে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।কর্মসূচিটি সমন্বয় করেন বিএম কলেজের শিক্ষার্থী মো. সজিব, মো. মেহেরাব হোসেন, অনামিকা, রিফাত ও জামিল।

বরিশালে কর্মসূচির সমন্বয়ক মো. সজিব বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিসা দূষণ ও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য এ আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।

আইসিডিডিআর,বি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সিসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর সনাক্তকরণ থেকে প্রতিরোধে প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২০২৬ সালের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দেশের ১৭টি জেলার ২৫টি উপজেলার স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিসা দূষণবিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় তরুণদের সম্পৃক্ত করে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫ অনুযায়ী, দেশে ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশুর রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি মাত্রায় সিসা পাওয়া গেছে। সিসা একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা মস্তিষ্ক, কিডনি ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও আচরণের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সিসাযুক্ত ধুলা ও ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ এবং দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে এটি মানবদেহে প্রবেশ করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসার এমন কোনো মাত্রা নেই, যাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসার সংস্পর্শ কমাতে দূষণের উৎস শনাক্ত করা, নিরাপদ খাবার ও পানি নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএম কলেজে চিকিৎসা খাতে ফি আদায় করলেও প্রাথমিক চিকিৎসা মেলে না

১

বিএম কলেজে সিসা দূষণ প্রতিরোধে আইসিডিডিআর,বি’র সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২

বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন

৩

যথাযথ মর্যাদার সাথে বরিশালে বিশ্ব মান দিবস উদযাপিত

৪

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে ববির অধীনে নেওয়ার উদ্যোগ

৫

স্ত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মোবাইল টাওয়ারে যুবক

৬

শতাধিক গুম-খুনের অভিযোগ, কারাগারে রেখেই জিয়াউল আহসানের বিচার

৭

সমালোচনার মুখে শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চাইলেন সেই শিক্ষার্থী

৮

ববিতে মালামাল সরবরাহ ছাড়াই ঠিকাদারের নামে ১৫ লাখ টাকার চেক ইস্যু

৯

বরিশাল নগরীর পরিচ্ছন্নতায় ৫০ ভ্যান বক্স ও ৩০ হ্যান্ড ট্রলি বিতরণ

১০

বরিশাল সদরে দুই ইউনিয়নে দুই ভাইয়ের সার ডিলারশিপ

১১

নলছিটি থেকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মঞ্চে খালেদ সাইফুল্লাহ

১২

বরিশাল চৌমাথায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে বিসিসির অভিযান

১৩

ইউক্রেন-রাশিয়া জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে পারস্পরিক পদক্ষেপের প্রস্তাব জেলেনস্কির

১৪

জিবুতির উপকূলে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে বহু মানুষের প্রাণহানি

১৫

রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধের মেয়াদ বাড়াল সৌদি আরব, অনলাইনে চলবে স্কুল

১৬

মেক্সিকোর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলের দিকে এগোচ্ছে শক্তিশালী হারিকেন সাইমন

১৭

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে হামলার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের তথ্য পেয়েছে পুলিশ

১৮

নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংসদীয় কমিটির প্রশ্ন

১৯

জাপান সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক

২০