আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিহত করতে গতকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ক্যাম্পাসে সক্রিয় রয়েছে ছাত্রদল। রাত জেগে ক্যাম্পাস পাহারা দেওয়া, প্রশাসনকে সহায়তা করা এবং বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের।
অন্যদিকে, ছাত্রশিবির, জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্র অধিকার পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল ও ইনকিলাব মঞ্চসহ ক্যাম্পাসের অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো দৃশ্যমান কর্মসূচি চোখে পড়েনি। তবে ছাত্রশিবির নেতাদের দাবি, তারাও কর্মসূচি পালন করেছেন, কিন্তু তা গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেননি।
অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয় নানা উদ্যোগ। গত রাত থেকে প্রক্টরিয়াল টিম ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও তদারকিতে সক্রিয় রয়েছে। এ সময় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টররা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ভোররাতেও প্রক্টরকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিতে দেখা যায়।
পূর্বে ঘোষণা দিয়েও ছাত্রশিবিরের নীরব ভূমিকা সম্পর্কে জানতে সংগঠনটির সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম বাবুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,”পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল থেকে আমরা ক্যাম্পাসে অবস্থান করেছি। সকাল ৯টা থেকে একটি টিম টিএসসিতে অবস্থান নেয় এবং ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। তবে কর্মসূচিটি অনলাইনে প্রচার করা হয়নি। যেহেতু সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল লক্ষণীয়, তাই অবস্থান কর্মসূচি দীর্ঘায়িত করা কিংবা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের প্রয়োজন মনে করিনি।”