ডেস্ক রিপোর্ট
১ জুন ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

ধানমন্ডিতে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, কাল ভোলায় দাফন

মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। 

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা রাজধানীর ধানমন্ডির মাসজিদ-উত-তাকওয়ায় (তাকওয়া মসজিদ) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) মাগরিবের নামাজের পরে তার জানাজায় পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বর্ষীয়ান এই নেতার পরবর্তী জানাজা হবে আগামীকাল (মঙ্গলবার) ভোলায় তার গ্রামের বাড়িতে।

তোফায়েল আহমেদের ছোট ভাই ডা. বেলায়েত হোসেন মোল্লা বলেন, ‘জানাজা শেষে স্কয়ার হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ। আগামীকাল সকালে ভোলায় নেওয়া হবে তাকে। সেখানে তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপরে মা-বাবার কবরের পাশে উনাকে দাফন করা হবে।’

এসময় উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদের যে অবদান…রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতায় তা আমাদের চিরদিন মনে রাখতে হবে এবং তার সে সাহসী পদচারণা আমাদের পুনরুজ্জীবিত করবে। আমি তার আত্মার শান্তি কামনা করি। বাংলাদেশ যতদিন আছে, তোফায়েল আহমেদ ততদিন বেঁচে থাকবে মানুষের মনে-প্রাণে-অন্তরে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তোফায়েল আহমেদের প্রয়াণে অফুরন্ত ক্ষতি হলো। উনি জীবিত ছিলেন, অসুস্থ ছিলেন, তবুও আমাদের মাঝে একটা উৎসাহ ছিল। আমাদের নেতা আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। এখন উনি নাই, কিন্তু উনার যে প্রেরণা, যে মহিমা, যে ত্যাগ, সাহস; সেটা যেন জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।’

প্রসঙ্গত, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় তিনি নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আইসিইউ-এর সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. রায়হান রাব্বানীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

Facebook Comments Box

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রত্যয় তরুণ সংঘের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

দলে ফিরতে মরিয়া বিএনপি থেকে বহিষ্কৃতরা

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে একটি বাস

তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বরিশাল মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ

ঝালকাঠিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিতর্ক উৎসব

পিরোজপুরে ছাত্রলীগের হামলায় যুবদল নেতা আহত

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভেসে এলো বিশাল আকৃতির মৃত তিমি

ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিচয় থানার ফেসবুকে, ওসিকে লিগ্যাল নোটিশ

বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলো থেকে নারীসহ দুই শিশুর লাশ উদ্ধার

১১ বছর পর ফিরছিলেন বাড়ি , প্রাণ গেছে মা-ভাই-বোনেরও

১০

একা ঘরে মায়ের পচাগলা মরদেহ, জানেনা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছেলেরা

১১

ধানমন্ডিতে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, কাল ভোলায় দাফন

১২

নলছিটিতে শিক্ষককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ, টাকা ও মোবাইল লুটের দাবি

১৩

কলাপাড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় যুবক নিহত, আটক ৩

১৪

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা

১৫

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ১৭৯

১৬

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ডিএসসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত

১৭

মোহাম্মদপুরে বাসার সামনেই দুই নারীকে চাপাতির ভয় দেখিয়ে ছিনতাই

১৮

মারা গেলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ

১৯

অবৈধ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নেই বিসিসির, বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি

২০