মাঘের কনকনে ঠান্ডায় স্থবির সারাদেশ। সাথে হিমেল বাতাস ভোগান্তি বাড়িয়েছে কয়েকগুণ। অন্যদিকে, ঠান্ডার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। এই হাড় কাঁপানো শীতে শরীর গরম রাখতে খাবারের গুরুত্ব ব্যাপক। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছু খাবার রাখতে পারে আপনাকে ঠান্ডা থেকে নিরাপদ।
অতিরিক্ত ঠান্ডায় জ্বর শর্দি ছাড়াও দেখা দেয় হজমে সমস্যা। এ সময় কোল্ড ডিসেন্ট্রিতেও আক্রন্ত হন অনেকে। তাই শীত বস্ত্রের পাশাপাশি খাদ্যের গুরুত্বের কম নয়।
মধু
মিষ্টি পছন্দ করলে চিনির স্থানে মধু খান। সর্দি, কাশির হাত থেকে মধু রক্ষা করে। প্রাকৃতিকভাবেই মধু নানা গুণের অধিকারী। এর রয়েছে একাধিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতাও। আর শীতে শরীরের উষ্ণতা বাড়াতে বিশেষভাবে সহায়তা করে মধু। কেননা মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী একটি খাদ্য। দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে উষ্ণতা বাড়ায় মধু। তাই মধু খেলে শীত আপনাকে কাবু করতে পারবে না সহজে।
বাদাম ও খেজুর
এতে ক্যালশিয়াম ও আয়রন বিদ্যমান, যা শরীরকে প্রাকৃতিক উপায়ে গরম রাখতে সাহায্য করে। এগুলো শরীরে শক্তি ও ফুর্তির সঞ্চার করে। খাওয়ার পরে মিষ্টি কিছু খেতে চাইলে চকলেট বা অন্যান্য মিষ্টির বদলে খেজুর খান। এটা লৌহ সমৃদ্ধ যা ওজন কমাতে ও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সহায়তা করে। বাদাম অনেকক্ষণ পেটভরা অনুভূতি দেয় বলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে। আবার হজমে বেশি শক্তি লাগে বলে ক্যালরিও খরচ হয়। অন্যদিকে খেজুর মিষ্টিজাতীয় ফল, যা চকলেট খাওয়ার ইচ্ছা দমন করতে পারে।
লাল মাংস
খাসি ও গরুর মাংস শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে তা বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।
স্যুপ জাতীয় খাবার
শীত দূর করার জন্য খেতে পারেন স্যুপ বা স্টু। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম স্যুপের বাটি নিয়ে মজা নিন স্যুপের। এতে শরীর গরম হবে। ঠাণ্ডা দূর হবে নিমেষেই। স্যুপে একটু ঝাল যোগ করতেও ভুলবেন না যেন। এছাড়া স্যুপ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো।
ডিম
ডিম শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ডিম পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি খাবার। ডিমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড। এছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৫, বি১২, বি৬, ডি, ই, কে, ফোলেট, ফসফরাস, সেলিনিয়াম, ক্যালিয়াম ও জিংক। প্রতিটি ডিমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ গ্রাম প্রোটিন।
Facebook Comments Box
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা
১
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
সড়ক দুর্ঘটনা কমানো ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য ১২টি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জানানো হয়।
পুলিশের নির্দেশনায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়কে হেলমেট পরার এবং গাড়ির চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুজন চলাচল করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা এবং অপ্রয়োজনে হর্ন না বাজানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।
বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সম্পর্কে সতর্ক থাকার পাশাপাশি লেন পরিবর্তন বা মোড় নেওয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। অন্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেও গাড়ি চালাতে বলা হয়েছে।
কুয়াশা, বৃষ্টি বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় গতি কমিয়ে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যানজট কিংবা অন্য চালকের ভুলের কারণে ধৈর্য না হারিয়ে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার কথাও বলা হয়েছে।
মাদক সেবন করে, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় কিংবা উল্টো পথে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করে নির্ধারিত লেন অনুসরণ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যানবাহনের প্রয়োজনীয় সব হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।
নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়কে চলাচলের সময় এসব নির্দেশনা মেনে চলার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচ-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
প্রতারণার মামলায় জামিন পাওয়ার প্রায় দেড় ঘণ্টার মধ্যেই ঝালকাঠিতে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে পৃথক দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঝালকাঠি শহরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মোল্লা শাওনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা, অর্থ আত্মসাৎ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি মামলা রয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মো. আজাদ খান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ২১১ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশের এক এএসআইকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা এবং একজনকে দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করানোর ঘটনায় মোল্লা শাওনের সংশ্লিষ্টতা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন।
এদিকে, ২০২৩ সালেও ঝালকাঠির রাজাপুরে সাংবাদিক পরিচয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে মোল্লা শাওনকে আটক করে পুলিশ আদালতে পাঠিয়েছিল বলে সে সময়ের সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ওই ঘটনায় একজন ভুক্তভোগী প্রতারণার মামলা করেছিলেন।সাম্প্রতিক আরেকটি মামলায় মোল্লা শাওনকে বিএনপি নেত্রীকে মারধর এবং বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তাকে জেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বাংলা বিভাগের বন্ধন বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের (বিডিসিসি) ২০২৬-২৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে মো. আতিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ক্লাবের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি আতিকুর রহমান বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এবং সাধারণ সম্পাদক রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
ক্লাবের গঠনতন্ত্রের ষষ্ঠ অধ্যায়ের ২৩-৪ (খ) ধারা অনুযায়ী, শীর্ষ তিন পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নেয়ামাতুল্লাহ।
ক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মডারেটর, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আব্দুর রহমান সরদার বলেন, শিক্ষার্থীদের চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতি সুস্পষ্টভাবে প্রকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বিতর্ক। শিক্ষার্থীরা যাতে সুষ্ঠু পরিবেশে বিতর্কচর্চার সুযোগ পায়, সে লক্ষ্যেই তাঁদের উদ্যোগে ও তাঁর অনুপ্রেরণায় এই বিতর্ক সংসদ গড়ে উঠেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বন্ধন বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক ক্লাব শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলা বিভাগ ও কলেজের সুনাম বৃদ্ধি করবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, ‘বন্ধন বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি। আমি মনে করি, এই দায়িত্ব কোনো পদ নয়, এটি একটি আমানত। বন্ধন শুধু একটি ক্লাব নয়, এটি আমাদের সবার। তাই সবার সহযোগিতা, পরামর্শ ও ভালোবাসা নিয়েই আমরা এই ক্লাবকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও লেখক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিনের লেখা ‘অগ্নিবীজ থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ বই নিয়ে পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় কলেজের মুক্তমঞ্চে ব্রজমোহন বই-বন্ধু সংগঠনের উদ্যোগে এ পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়।
পাঠচক্রে বইটির লেখক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বইটি রচনার প্রেক্ষাপট, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে পাঠকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পাশাপাশি বইটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং উপস্থিত পাঠকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
পাঠচক্রটি সঞ্চালনা করেন ব্রজমোহন বই-বন্ধুর সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সজিব। তাঁর সঞ্চালনায় লেখক, শিক্ষার্থী ও পাঠকদের অংশগ্রহণে বইটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা, মতবিনিময় ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ব্রজমোহন বই-বন্ধুর সভাপতি মুহাম্মাদ ইয়ামিন বইটির ওপর আলোচনা করেন। তিনি বইটির বিষয়বস্তু ও প্রেক্ষাপট নিয়ে নিজের পাঠ-অনুভূতি তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য বই পড়া ও পাঠচর্চার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন।
এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সজিব বইটির বিভিন্ন দিক ও ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বই নিয়ে সম্মিলিতভাবে আলোচনা ও মতবিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পাঠচক্রে লেখকের বক্তব্যের পাশাপাশি উপস্থিত শিক্ষার্থী ও পাঠকদের অংশগ্রহণে বইটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। লেখকের সরাসরি উপস্থিতিতে পাঠকদের সঙ্গে এমন মতবিনিময় বইটির বিষয়বস্তু ও প্রেক্ষাপট আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি করে।
ব্রজমোহন বই-বন্ধু ৪ মার্চ ২০২৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা ও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিনামূল্যে বই পড়ার সুযোগ, পাঠচক্র, কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সভা। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বইয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং ক্যাম্পাসে পাঠচর্চার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে সংগঠনটি।
আয়োজকরা জানান, বইকে কেন্দ্র করে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠের আগ্রহ আরও বাড়বে। পাঠচক্র জ্ঞানকে বিকশিত করে এবং চিন্তার পরিধি বিস্তৃত করে। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বই নিয়ে পাঠচক্রসহ জ্ঞান ও সাহিত্যভিত্তিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশে বড় রদবদল নিয়ে এসেছে সরকার। ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পর্যায়ের মোট ৩১ জন কর্মকর্তা পাচ্ছেন নতুন দায়িত্ব।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে পুলিশের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট, সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে এবং ওই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে পার্বত্য জেলা এপিবিএন কার্যালয় বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পাশাপাশি সুপার নিউমারারি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারও রয়েছেন বদলির এই তালিকায়।
ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সব সমুদ্রবন্দরে জারি করা হয়েছে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
এতে বলা হয়— পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
এটি আজ সন্ধ্যা ৬ টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৯৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭২০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। পরবর্তী ১২ ঘন্টায় আরো পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
বরিশালের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য উনকোরেক্স। যশোরে অভিযান চালিয়ে পিকআপভ্যান থেকে ২ হাজার ২৫৭ বোতল উনকোরেক্সসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬-এর যশোর ও ঝিনাইদহের যৌথ দল।
গ্রেপ্তাররা হলেন বরিশাল সদরের হেমায়েত উদ্দীন ও মির্জাগঞ্জ এলাকার সুজন হোসেন।
এসআরবি সূত্র জানায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোরের চুড়ামনকাটি রেলক্রসিং এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি পিকআপভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ উনকোরেক্স উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানান, উদ্ধার হওয়া মাদকের চালানটি বরিশালে নেওয়া হচ্ছিল। এতে বরিশালমুখী মাদকের এই চালান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এসআরবি-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এটিএম ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের যশোর কোতোয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
বরিশালকে কেন্দ্র করে মাদকের এই চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বরিশাল নগরীতে স্বামী নুরুজ্জামান হাওলাদার (৫৫) হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামি তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগমকে ঢাকার ভাটারা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচ জানান, নাসিমাকে গ্রেপ্তারের পর রাতেই পুলিশের একটি দল তাকে নিয়ে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠী কলোনির একটি ভাড়া বাসায় নুরুজ্জামানের মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন ভোরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নুরুজ্জামান বরিশাল আদালতের একজন আইনজীবীর সহকারী (মুহুরি) ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বরিশাল আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দাম্পত্য কলহের পর রহস্যজনক মৃত্যু
স্থানীয় সূত্রের বরাতে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগে কয়েকদিন ধরে নুরুজ্জামান ও নাসিমার মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দাম্পত্য কলহের জেরে নুরুজ্জামানকে আঘাতের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এরপর বাসার বাইরে থেকে দরজায় তালা দিয়ে নাসিমা আত্মগোপনে চলে যান বলে পুলিশের দাবি।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই নাসিমা পলাতক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার ভাটারা এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।
নিহত নুরুজ্জামান মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সাত্তার হাওলাদারের ছেলে। কর্মসূত্রে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমাকে নিয়ে বরিশাল নগরীর ইছাকাঠী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
হত্যার নেপথ্যে আসলে কী ঘটেছিল—গ্রেপ্তার নাসিমাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে তারই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের কোন কাজ না করায় শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম।
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সওজ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম তাদের তোপের মুখে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত চলতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
ওই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সামনে এসে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সড়কের বিটুমিন উঠে গেলে তা পুনরায় সংস্কার করা, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করা এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে মূল সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ করার কথা ছিল। একই সঙ্গে সড়কের দুই পাশে আলোর ব্যবস্থা করারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনের পর মাত্র একবার সড়কের গর্তগুলো বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করা হলেও পরবর্তীতে আর কোনো দৃশ্যমান কাজ হয়নি।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে । বিশেষ করে দপদপিয়া সেতুর ওপর বেশ কয়েকটি বড় গর্ত দেখা গেছে। এতে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনেও ড্রেনে পানি জমে থাকতে ও অসংখ্য ছোট বড় গর্ত দেখা যায়।
স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করে বলছে , সড়কের খানাখন্দের কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত এক মাসে প্রায় পাঁচটি থ্রি-হুইলার উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানান। এসব ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য মো. রাজীব বলেন, কথা ছিল আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে রাস্তার দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ শুরু করতে হবে, পাশাপাশি ১০ নভেম্বরের ভিতর আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই কাজের তদারকি করার জন্য সড়ক জনপদের কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা প্রতিনিধি টিম গঠন করা হয়। আমরা দেখেছি তাদের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোন কাজই হচ্ছে না। এখনো পর্যন্ত কোন কাজের টেন্ডারই করতে পারিনি। তাহলে তারা কিভাবে নির্ধারিত সময়ের ভিতরে কাজ শুরু করবে? তাদের কাজের সময় পার হচ্ছে যাচ্ছে সেটা জানান দিতেই আজ এখানে আসা।
আরেক সদস্য মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম বলেছিল রাস্তায় যতবার গর্ত হবে ততবার সেটা বিটুমিন দিয়ে সংস্কার করে দিবে। কিন্তু নামে মাত্র একবার সংস্কার করে দিয়েই সড়ক ও জনপদের লোক হাওয়া হয়ে গেছে। রাস্তায় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে প্রতিদিনই কোন না দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় দুরবস্থার কারণে আমরা মাইশা, ইয়াসিন আরাফাতকে হারিয়েছি। এখন আর কত লাশ দিলে এই রাস্তার সংস্কার হবে? লিখিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুত সড়ক সংস্কার, ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি ঢালাই ও সড়কের পাশে আলোর ব্যবস্থা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এখানে আসা।
অপর দিকে বরিশাল সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে ফুটপাত নির্মাণ, আরসিসি রোড নির্মাণ, সড়কে লাইটের ব্যবস্থা করা। সে ব্যাপারে একটা প্রস্তবনা ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। সেটা যদি অনুমোদন হয় তাহলে আমরা অতিশীগ্রই নতুন দরপত্র আহ্বান করে এই কাজগুলো করতে পারবো। তবে কবে নাগাত এই কাজ শুরু করতে পারবো সেটা বলতে পারছি না।