-ইমরান হোসেন রাহাত খান-
ভোর হলো আজ জুমার দিনে,
খুশি জাগে মুমিন মনে।
সূর্যি মামা দেয় যে উঁকি,
নামাজ পড়ার নেইকো ফাঁকি।
আকাশের ঐ নীলিমাতে,
ফেরেশতারা সুর মিলাতে—
পড়ছে দরুদ নবীর তরে,
শান্তি আসুক ঘরে ঘরে।
নখ কেটে আর গোসল সেরে,
পরিষ্কার ঐ পাঞ্জাবি পরে;
আতর গোলাপ খুশবু মেখে,
যাবো ছুটে প্রভুর দিকে।
শুভ্র বসন, নূরানি মুখ,
মনে জাগে অপার্থিব সুখ,
সাদা টুপি মাথায় দিয়ে—
চলো মুমিন মসজিদে।
সব কাজ আজ থাকুক পড়ে,
মসজিদ পানে চলরে ধীর।
আযানের ঐ মধুর সুরে,
অন্তরটা যায় জুড়িয়ে।
প্রতিটি কদম সওয়াব আনে,
আল্লাহর প্রেমের টানে টানে,
দলে দলে যায় যে সবাই—
প্রভুর দেওয়া আমন্ত্রণে।
আজান হলে মসজিদে যাই,
একসাথে সব কাতার দাঁড়াই।
আগে ভাগে বসি গিয়ে,
সুরা কাহাফ পড়ি নিয়ে।
খুতবা চলে ধীর লয়ে,
শুনবো সবাই চুপ হয়ে—
মনটা রাখি মালিকের তরে,
প্রভুর প্রেমের নূর নিয়ে।
খুতবা শুনি মনোযোগ দিয়ে,
সবাই মিলে নামাজ পড়ে।
দুই রাকাত ঐ ফরজ আদায়,
মনটা যেন শান্তি পায়।
সপ্তাহের সেরা দিন এই জুমা,
সব মুমিনের খুশির সীমা।
এক কাতারে আমীর-ফকির,
নেইকো ভেদাভেদ কারোর—
সবার সেজদা একই তরে,
একই মালিকের দরবারে।
রহমতেরই বৃষ্টি ঝরে,
আল্লাহর ঘর মসজিদে নূরে।
দোয়া করি দুহাত তুলে,
ভুল যেন সব আল্লাহ ভোলে।
কবুল করো মোদের দোয়া,
পাই যেন গো জান্নাত ছোঁয়া।
পাপের কালিমা ধুয়ে যাক—
পুণ্যে ভুরুক ভুবন পাক।
জুমার পুণ্য আমেজ নিয়ে,
জীবন কাটুক সুখে ভরে।
সবার হৃদয়ে জাগুক আলো,
দিনটি যেন কাটে ভালো।
বিদায় বেলা বলি সবে—
“জুম্মা মোবারক” জয় হোক তবে!
জুম্মা মোবারক! জুম্মা মোবারক!