কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ গোপন বৈঠক রুখে দিয়েছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার খুব সকালে শহরের বিএম কলেজসংলগ্ন মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনে হানা দিয়ে পুলিশ সংগঠনটির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করলে বৈঠকটি পন্ড হয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় আইটি অফিসে সরকারবিরোধী গোপন তৎপরতা চলছিল। বিশেষ মাধ্যম খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে সেখানে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অন্তত ১০ জনকে আটক করা হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকার পতনের একটি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এই মামলাটিতে ১০ জন নামধারীসহ সর্বমোট ৬০জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আমিনুল ইসলাম ইমরান (২৭), মো. রাতুল খান (২০), মো. জাকারিয়া মীর (২২), মো. ইমন ভূইয়া (২১), মো. ইব্রাহিম (২১), মো. রিয়াদ খাঁন (১৯), মো. তানভীর ইসলাম (২০), মো. রায়হান (২১), মো. মোরছালিন (২১) এবং মো. রবিউল ইসলাম (২৬)।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিম জানান, শুক্রবার খুব সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন করে অবহিত করা হয় বিএম কলেজসংলগ্ন রোড মধু মিয়ার গলির ‘বেস্ট লাক’ আইটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ছেলেপান সরকারবিরোধী বৈঠক করছে। তখন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল জোবায়েরের নেতৃত্বে সেখানে হানা দিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ছাত্র ও যুবলীগের ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করা হয়।
এই ঘটনায় এসআই ইশতিয়াক আল মামুন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের ১০ জনকে শুক্রবার বিকেলে আদালতে তোলে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের প্রত্যেককে কারাগারে পাঠিয়েছেন।’